শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে মোমো নারী ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের পুষ্পস্তবক অর্পণ

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে সমাধিতে মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসার শ্রদ্ধাঞ্জলি
মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ১৯ জানুয়ারি সকালে নয়াপল্টন থেকে সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশে সারিবদ্ধভাবে শহীদ জিয়ার সমাধিস্থলে যান।
এসময় মোমো নারী ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র-এর একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের উপদেষ্টা মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভানেত্রী এস এম মোমো, সহ-সভানেত্রী ইলোরা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক লায়লা আক্তার, হালিমা আক্তার, সুরমা, ময়ূরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা। মোনাজাতে শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। একই সাথে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও নিরাপদ নেতৃত্বের জন্যও প্রার্থনা করা হয়।
মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন,
“শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তাঁর আদর্শ ও কর্মই আমাদের প্রেরণা। আমরা তাঁর দেখানো পথেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।” স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে আরো পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এফ বিসিসিআই সদস্য ও চকবাজার থানা বিএনপি নেতা হাজী মোহাম্মদ টিপু সুলতান এবং জিয়া সৈনিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার মোঃ আবু তোহা। পুষ্প স্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তারা বলেন, শহীদ জিয়ার বহুমুখী উন্নয়ন দর্শন, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং দেশের প্রতি তাঁর অবদান তুলে ধরেন। তারা বলেন, জিয়াউর রহমানের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল রাষ্ট্রের উন্নয়ন, শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিত।




